মুখের
ত্বকের যত্ন নিতে গিয়ে
আমরা বেশীরভাগ সময়েই হাত ও
পায়ের যত্নের কথা ভুলে
যাই। অনেকে নিয়ম করে
মুখে অ্যান্টিএইজিং ক্রিম মাখলেও হাতে-পায়ে ন্যূনতম ময়েসচারাইজার
লাগাতে ভুলে যান। এর
প্রভাব কিন্তু আপনার নজর
এড়িয়ে যাচ্ছে। নিজের হাত-পা
জোড়ার দিকে তাকিয়ে দেখুন
একটিবার। অনেকেরই অল্প বয়সে হাত
ও পায়ের ত্বক কুঁচকে
যেতে দেখা যাবে। এবং
এই গরমে মুখের ত্বকের
যত্ন নেয়ার ফলে যতোটা
উজ্জ্বলতা পাবেন ঠিক তেমনই
হাত-পা এড়িয়ে যাওয়ার
ফলে ততোটাই কালচে হয়ে
যাবে। তাই একটু মনে
করে হলেও সৌন্দর্যের মিল
মাথায় রেখে হাত-পায়ের
সমান যত্ন নিন। তবে
মুখের ত্বকের মতো এতো
কিছু করতে হবে না
আপনাকে। খুবই ছোট্ট কিছু
কাজেই ফরে পেতে পারেন
হাত ও পায়ের হারানো
সৌন্দর্য বেশ সহজেই।
১. ফাঙ্গাল ইনফেকশন এই গরমে খুবই
স্বাভাবিক ব্যাপার। তাই বাইরে থেকে
ফিরে অবশ্যই হাত ও
পা খুভ ভালো করে
পরিষ্কার করে মুছে শুকনো
করে নেবেন। যদি প্রয়োজন
হয় লবণ গরম পানিতে
পা ডুবিয়ে রাখুন ২০
মিনিট।
২. বাইরে বের হওয়ার
আগে যেমন মুখের ত্বকে
সানস্ক্রিন লাগান তেমনই হাত
ও পায়ের ত্বকেও লাগাবেন।
এতে রোদে পুড়ে কালচে
হওয়ার হাত থেকে রেহাই
পাবেন।
৩. পায়ের গোড়ালি একেবারে
বাচ্চাদের মতো নরম ও
কোমল পেতে চাইলে গ্লিসারিনের
সাথে গোলাপজল মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
এছাড়াও একটি গামলায় কুসুম
গরম আপ্নিতে লবণ মিশিয়ে নিন।
এতে পা ডুবিয়ে রেখে
পিউমিস স্টোন দিয়ে পায়ের
গোড়ালির মরা চামড়া তুলে
নিন। এবং রাতে অবশ্যই
পায়ে ময়েসচারাইজার লাগিয়ে ঘুমুতে যাবেন।
৪. শিশুদের মতো নরম কোমল
হাতের জন্য একটি ঘরোয়া
স্ক্রাব তৈরি করে নিন।
২ টেবিল চামচ বেবি
অয়েল বা অলিভ অয়েলের
সাথে চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব
তৈরি করে আলতো করে
হাতের ত্বকে কয়েক মিনিট
ঘষে পানি দিয়ে ধুয়ে
ফেলুন।
৫. চকচকে স্বাস্থ্যবান নখ
পেতে ক্যাস্টর অয়েল ও পেট্রোলিয়াম
জেলি একসাথে মিশিয়ে রাখবেন।
এবং প্রতিদিন অন্তত ২ বার
তুলোর মাধ্যমে এই মিশ্রণটি হাত
ও পায়ের নখে লাগাবেন।
আলতো ম্যাসেজ করে নেবেন। এতে
নখ যেমন উজ্জ্বল হবে
তেমনই নখের ভঙ্গুরতা কমে
যাবে। এছাড়াও সপ্তাহে অন্তত
১ বার নখের চারপাশের
কিউটিকল দূর করে নিন।
৬. হাত ও পায়ের
চামড়া কুঁচকে যাওয়া ও
রিংকেল পড়া প্রতিরোধ করতে
নিয়মিত ময়েসচারাইজার দিয়ে ম্যাসেজ করুন।
এতে চামড়ার নিচের রক্ত
সঞ্চালন সঠিক থাকবে যা
বয়সের ছাপ দূর করে
হাত ও পায়ের ত্বকে
সজিবতা ধরে রাখবে।
0 Comments