কীভাবে বাড়িতেই করে নিতে পারবেন হানি ফেসিয়াল:
হানি ফেসিয়াল
ত্বকের পুরানো লাবণ্য, উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত ফেসিয়ালের জুড়ি নেই। হারবাল জাতীয় ফেসিয়ালের কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে যা সব ধরনের ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এই ফেসিয়ালের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই
প্রস্তুতিপর্ব
সবার আগে ত্বককে হানি ফেসিয়ালের জন্য প্রস্তুত করে নেওয়া দরকার। তার জন্য ত্বকের গভীর থেকে সমস্ত ধুলোময়লা আর দূষিত পদার্থ বের করে দিতে হবে।
ধাপ 1: ক্লেনজ়িং
হানি ফেসিয়ালের প্রথম ধাপটা হল ক্লিনজিং। প্রথমে মুখ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর মুখ ও গলায় ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে ভালভাবে ম্যাসেজ করুন। ৫ মিনিট ম্যাসেজ করার পর অতিরিক্ত ক্লিনজিং মিল্ক মুছে ফেলুন। বাজারের পণ্য ব্যবহার করতে না চাইলে তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা শসা ও শুষ্ক ত্বক হলে কাঁচা দুধ দিয়ে এ কাজটি সেরে নিতে পারেন।
ধাপ 2: ম্যাসেজিং
এবার মুখ ও গলায় ম্যাসাজ করার জন্য হানি ম্যাসাজ ক্রিম নিন। ক্রিম খুব ভালভাবে গলা ও মুখে ম্যাসাজ করুন ১৫-৩০ মিনিট ধরে। ম্যাসাজ করার সময় কিছুক্ষণ পরপর আঙ্গুলে হালকা ক্রিম নিয়ে আঙ্গুল পানিতে ভিজিয়ে তারপর ম্যাসাজ করবেন। এতে ম্যাসাজের ধারা বজায় থাকবে। যত ভালো ম্যাসাজ করতে পারবেন মুখ তত উজ্জ্বল দেখাবে, কেননা ম্যাসাজ করলে রক্তপ্রবাহে গতি আসে। ম্যাসাজ শেষে ত্বক ঠান্ডা পানিতে ভেজানো রুমাল দিয়ে মুছে ফেলুন। অথবা প্রাকৃতিক উপাদান চাইলে ১/২ কাপ আতপ চালের গুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, ২ টেবিল চামচ টমেটোর রস ও কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল ভালোভাবে মিশিয়ে মুখের ত্বকে হালকা হাতে স্ক্রাব করে নিন।
ধাপ 3: স্টিম
ফেসিয়ালের ক্ষেত্রে স্টিম বেশ জরুরি। এটি লোমকূপ খুলতে সাহায্য করে এবং ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার করে। প্রথমে খুব অল্প পরিমাণ বাদাম তেল সারা মুখে মালিশ করে নিন। তারপর বাজারের পাওয়া যায় এমন স্টিমারের সাহায্যে স্টিম নিন অথবা মুখ পরিষ্কার করার সময়ই পাত্রে করে পানি নিয়ে আঁচে বসিয়ে রাখুন। ক্লেনজ়িং শেষ হতে হতে পানিটা ফুটে যাবে। পানি ফুটে গেলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন। এবার মাথায় একটা তোয়ালে ঢাকা দিয়ে মুখটা জলের ঠিক উপরে রাখুন যাতে ধোঁয়াটা মুখের উপর লাগে। চার-পাঁচ মিনিট এভাবে থাকুন। তারপর মুখ সরিয়ে নিয়ে তুলো দিয়ে মুখ আর গলা মুছে নিন। সমস্ত ধুলোময়লা সরে গিয়ে ত্বক পরিষ্কার হয়ে যাবে।
ধাপ ৪: ব্ল্যাকহেডস পরিষ্কারকরণ
একটা ব্ল্যাকহেডস পরিষ্কারক যন্ত্রের সাহায্যে ব্ল্যাকহেডসগুলো পরিষ্কার করে নিন। যেহেতু লোমকূপ খোলা আছে তাই যন্ত্রের হালকা চাপেই উঠে আসবে ব্ল্যাকহেডস।
ধাপ ৫ : টোনিং
অনেকেই ভেবে থাকে এর হয়ত প্রয়োজন নেই। কিন্তু এ ধারণা ভুল। যেহেতু স্টিমের মাধ্যমে লোমের গোড়া খোলা হয়েছে টোনিং-এ তা বন্ধ করা জরুরি, নয়তো খোলা পোর দিয়ে ময়লা ঢুকে ব্রণ সৃষ্টি করতে পারে। বাজারের টোনারে অনীহা থাকলে গোলাপ জল লাগিয়ে নিন।
ধাপ 6 : ফেসপ্যাক
ধাপ 7 : ময়েশ্চারাইজিং
সব শেষে ভালো একটি ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ত্বকের আর্দ্রতায় তালা লাগিয়ে দিন।
হানি ফেসিয়াল
ত্বকের পুরানো লাবণ্য, উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত ফেসিয়ালের জুড়ি নেই। হারবাল জাতীয় ফেসিয়ালের কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে যা সব ধরনের ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এই ফেসিয়ালের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই
প্রস্তুতিপর্ব
সবার আগে ত্বককে হানি ফেসিয়ালের জন্য প্রস্তুত করে নেওয়া দরকার। তার জন্য ত্বকের গভীর থেকে সমস্ত ধুলোময়লা আর দূষিত পদার্থ বের করে দিতে হবে।
ধাপ 1: ক্লেনজ়িং
হানি ফেসিয়ালের প্রথম ধাপটা হল ক্লিনজিং। প্রথমে মুখ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর মুখ ও গলায় ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে ভালভাবে ম্যাসেজ করুন। ৫ মিনিট ম্যাসেজ করার পর অতিরিক্ত ক্লিনজিং মিল্ক মুছে ফেলুন। বাজারের পণ্য ব্যবহার করতে না চাইলে তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা শসা ও শুষ্ক ত্বক হলে কাঁচা দুধ দিয়ে এ কাজটি সেরে নিতে পারেন।
ধাপ 2: ম্যাসেজিং
এবার মুখ ও গলায় ম্যাসাজ করার জন্য হানি ম্যাসাজ ক্রিম নিন। ক্রিম খুব ভালভাবে গলা ও মুখে ম্যাসাজ করুন ১৫-৩০ মিনিট ধরে। ম্যাসাজ করার সময় কিছুক্ষণ পরপর আঙ্গুলে হালকা ক্রিম নিয়ে আঙ্গুল পানিতে ভিজিয়ে তারপর ম্যাসাজ করবেন। এতে ম্যাসাজের ধারা বজায় থাকবে। যত ভালো ম্যাসাজ করতে পারবেন মুখ তত উজ্জ্বল দেখাবে, কেননা ম্যাসাজ করলে রক্তপ্রবাহে গতি আসে। ম্যাসাজ শেষে ত্বক ঠান্ডা পানিতে ভেজানো রুমাল দিয়ে মুছে ফেলুন। অথবা প্রাকৃতিক উপাদান চাইলে ১/২ কাপ আতপ চালের গুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, ২ টেবিল চামচ টমেটোর রস ও কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল ভালোভাবে মিশিয়ে মুখের ত্বকে হালকা হাতে স্ক্রাব করে নিন।
ধাপ 3: স্টিম
ফেসিয়ালের ক্ষেত্রে স্টিম বেশ জরুরি। এটি লোমকূপ খুলতে সাহায্য করে এবং ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার করে। প্রথমে খুব অল্প পরিমাণ বাদাম তেল সারা মুখে মালিশ করে নিন। তারপর বাজারের পাওয়া যায় এমন স্টিমারের সাহায্যে স্টিম নিন অথবা মুখ পরিষ্কার করার সময়ই পাত্রে করে পানি নিয়ে আঁচে বসিয়ে রাখুন। ক্লেনজ়িং শেষ হতে হতে পানিটা ফুটে যাবে। পানি ফুটে গেলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন। এবার মাথায় একটা তোয়ালে ঢাকা দিয়ে মুখটা জলের ঠিক উপরে রাখুন যাতে ধোঁয়াটা মুখের উপর লাগে। চার-পাঁচ মিনিট এভাবে থাকুন। তারপর মুখ সরিয়ে নিয়ে তুলো দিয়ে মুখ আর গলা মুছে নিন। সমস্ত ধুলোময়লা সরে গিয়ে ত্বক পরিষ্কার হয়ে যাবে।
ধাপ ৪: ব্ল্যাকহেডস পরিষ্কারকরণ
একটা ব্ল্যাকহেডস পরিষ্কারক যন্ত্রের সাহায্যে ব্ল্যাকহেডসগুলো পরিষ্কার করে নিন। যেহেতু লোমকূপ খোলা আছে তাই যন্ত্রের হালকা চাপেই উঠে আসবে ব্ল্যাকহেডস।
ধাপ ৫ : টোনিং
অনেকেই ভেবে থাকে এর হয়ত প্রয়োজন নেই। কিন্তু এ ধারণা ভুল। যেহেতু স্টিমের মাধ্যমে লোমের গোড়া খোলা হয়েছে টোনিং-এ তা বন্ধ করা জরুরি, নয়তো খোলা পোর দিয়ে ময়লা ঢুকে ব্রণ সৃষ্টি করতে পারে। বাজারের টোনারে অনীহা থাকলে গোলাপ জল লাগিয়ে নিন।
ধাপ 6 : ফেসপ্যাক
এবার হচ্ছে
আসল কাজ- হানি মাস্কের
ব্যবহার। এবার
হানি ফেসপ্যাক তৈরী করুন।
যা যা
লাগবে – ১ টেবিল চামচ
মধু, একটি ডিমের কুসুম,
১ চা চামচ অলিভ
অয়েল।
প্রণালীঃ
ডিমের কুসুম
ভালো ভাবে ফেটিয়ে নিন। তেল
মিশান আবার ভালো ভাবে
ফেটান। এবার
অন্য একটি বাটিতে মধুর
সাথে গরম পানি দিয়ে
আলতো হাতে মিশিয়ে নিন। এবার
এই মিশ্রণটি ডিমের মিশ্রণের সাথে
ফেটিয়ে নিন। সমস্ত
মুখ এবং গলায় প্যাকটি
লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর
ধুয়ে ফেলুন। সব
শেষে মুখে এক টুকরো
বরফ ঘষে নিন।
এতে খোলা পোর গুলো
বন্ধ হয়ে যাবে।
সব শেষে ভালো একটি ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ত্বকের আর্দ্রতায় তালা লাগিয়ে দিন।
বিঃ দ্রঃ এই ফেসিয়াল গরম
ভাপ দিয়ে স্ক্রাব করে,
ত্বক উপযোগী মাস্ক লাগিয়ে
মুখের ময়লা পরিষ্কার করা
হয় তাই মাসে ২
বার করলে কোন ধরনের
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে না।
0 Comments